এডিসি কর্মীদের বেতন-পেনশন নিয়ে জিএমপির উদ্বেগ

প্রগতি ত্রিপুরা, ০১ অক্টোবর, ২০২৬: ত্রিপুরা রাজ্য উপজাতি গণমুক্তি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়

ত্রিপুরা রাজ্য উপজাতি গণমুক্তি পরিষদ সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন।এডিসি কর্মীদের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন পাওনা নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠল।

দুর্গাপুজোর আগে এডিসি-র প্রায় চার হাজার কর্মচারী বেতন-ভাতার পুরো টাকা পাবেন কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করলেন জিএমপি-র নেতৃত্ব।জিএমপি সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মার দাবি এডিসি প্রশাসনের আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্য পেনশন, গ্র্যাচুইটি-সহ বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তাঁর দাবি, ২০২২-২৩ সাল থেকে অবসর নেওয়া বহু কর্মচারী এখনও তাঁদের অবসরকালীন প্রাপ্য পুরোপুরি পাননি। গত মাসের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৪৯৪ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী দীর্ঘ এক থেকে দেড় বছর ধরে পেনশন পাচ্ছেন না।

আরও প্রায় ৩৫০ জন কর্মচারী পেনশন পেলেও গ্র্যাচুইটি-সহ অন্যান্য অবসরকালীন পাওনা পাননি বলে দাবি করা হয়েছে।বর্তমানে বকেয়া প্রাপকের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলেও তাঁদের বক্তব্য।বকেয়া টাকা পাওয়ার দাবিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের একাংশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

তাঁদের বক্তব্য, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এডিসি প্রশাসনকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে। হাইকোর্টের একটি নির্দেশের ফলে ডিসেম্বর মাসে এডিসি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে বলেও তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তাঁদের দাবি, সব মিলিয়ে এডিসি-র আর্থিক দায় প্রায় ১৯৩ কোটি টাকা।এদিকে, এডিসি কর্মীদের বকেয়া পেনশন নিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, এডিসি কর্মচারীদের বেতন ও পেনশনের বিষয়টি শুধুমাত্র এডিসি প্রশাসনের দায় বলে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।

তাঁদের বক্তব্য, এডিসি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হলেও রাজ্য সরকারের উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে এর প্রশাসনিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সমস্যার সমাধানে রাজ্য সরকারেরও দায়িত্ব রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

জিএমপি নেতৃত্বের আরও বক্তব্য, রাজ্যের অন্যান্য পুর সংস্থা বা নগর পঞ্চায়েত একই ধরনের আর্থিক সমস্যায় পড়লে রাজ্য সরকার যেভাবে হস্তক্ষেপ করে, এডিসির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভূমিকা নেওয়া উচিত।

এডিসির প্রতি রাজ্য সরকারের ‘বৈষম্যমূলক আচরণ’ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।পাশাপাশি দুর্গাপুজোর আগে এডিসি কর্মচারীদের বোনাস ও অগ্রিম পাওনা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মতো এডিসি কর্মচারীরাও যাতে পুজোর বোনাস ও অগ্রিম পান, সেই ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এডিসির আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে গিয়ে বাজেট অনুমোদনের প্রক্রিয়া নিয়েও সরব হলেন জিএমপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, এডিসির বিভিন্ন দপ্তরের জন্য কোথায় কত টাকা খরচ করা হবে, কোন খাতে কত বরাদ্দ থাকবে—সেসব বিষয় বাজেটের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়ার কথা।

সেই বাজেট নিয়ে কাউন্সিলের অধিবেশনে আলোচনা এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়াও রয়েছে।কিন্তু চলতি অর্থবর্ষে এডিসিতে সেই ধরনের বাজেট অনুমোদনের অধিবেশন হয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন রাধাচরণ। তাঁদের অভিযোগ, কোনও বাজেট অনুমোদন অধিবেশন না করেই শুধুমাত্র চিফ এক্সিকিউটিভ মেম্বারের পক্ষ থেকে একটি বাজেট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তার ভিত্তিতেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।

জিএমপি নেতৃত্বের প্রশ্ন, যদি বাজেটের প্রতিটি খাত নিয়ে কাউন্সিলের অধিবেশনে আলোচনা ও অনুমোদনের প্রয়োজন থাকে, তাহলে সেই প্রক্রিয়া ছাড়া কীভাবে এত বড় অঙ্কের বাজেট কার্যকর করা হচ্ছে? বাজেট অনুমোদনের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি স্পষ্ট করারও দাবি জানানো হয়েছে।

তাঁদের মতে, এডিসির আর্থিক সংকট, কর্মচারীদের বেতন-পেনশন বকেয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের প্রাপ্য না মেটানোর অভিযোগের পাশাপাশি বাজেট প্রণয়ন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। তাই চলতি অর্থবর্ষের বাজেট কীভাবে তৈরি ও অনুমোদিত হয়েছে, কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং সেই অর্থ কীভাবে খরচ হচ্ছে—তা প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার দাবিও তুলেছে জিএপি। সংগঠনের বক্তব্য, যারা সারা বছর বিভিন্ন সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের জন্য পরিষেবা দিয়ে থাকেন, তাঁদের জন্য অন্তত উৎসবের সময় মজুরি ও কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি। এতে সাধারণ দরিদ্র মানুষ উৎসবের সময় কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাবেন এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন।

জিএমপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্তমান সরকারের আমলে উৎসব এলেও সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য, দুর্গাপুজো, হোজাগিরি, সংক্রান্তি কিংবা বড়দিন—কোনও উৎসবের সময়ই গরিব ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিশেষ কর্মসংস্থান বা আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ দেখা যায় না।উৎসবের সময় সাধারণ মানুষের হাতে যাতে অর্থ থাকে এবং তাঁরা পরিবার নিয়ে আনন্দ করতে পারেন, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার দাবিও তুলেছে জিএপি। সংগঠনের বক্তব্য, যারা সারা বছর বিভিন্ন সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের জন্য পরিষেবা দিয়ে থাকেন, তাঁদের জন্য অন্তত উৎসবের সময় মজুরি ও কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি। এতে সাধারণ দরিদ্র মানুষ উৎসবের সময় কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাবেন এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন।

জিএপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্তমান সরকারের আমলে উৎসব এলেও সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য, দুর্গাপুজো, হোজাগিরি, সংক্রান্তি কিংবা বড়দিন—কোনও উৎসবের সময়ই গরিব ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিশেষ কর্মসংস্থান বা আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ দেখা যায় না।

উৎসবের সময় সাধারণ মানুষের হাতে যাতে অর্থ থাকে এবং তাঁরা পরিবার নিয়ে আনন্দ করতে পারেন, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার দাবিও তুলেছে জিএপি। সংগঠনের বক্তব্য, যারা সারা বছর বিভিন্ন সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের জন্য পরিষেবা দিয়ে থাকেন, তাঁদের জন্য অন্তত উৎসবের সময় মজুরি ও কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি। এতে সাধারণ দরিদ্র মানুষ উৎসবের সময় কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাবেন এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন।

জিএপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্তমান সরকারের আমলে উৎসব এলেও সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য, দুর্গাপুজো, হোজাগিরি, সংক্রান্তি কিংবা বড়দিন—কোনও উৎসবের সময়ই গরিব ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিশেষ কর্মসংস্থান বা আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ দেখা যায় না।

উৎসবের সময় সাধারণ মানুষের হাতে যাতে অর্থ থাকে এবং তাঁরা পরিবার নিয়ে আনন্দ করতে পারেন, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Leave a Comment