বিশ্বকর্মা পুজোয় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সচেতনতার বার্তা টিপটিএল ও টিএসইসিএল-এর

প্রগতি ত্রিপুরা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারিগর হলেন বিশ্বকর্মা। আমরা যতই নতুন কিছু গড়ি না কেন, তার পেছনে বিশ্বকর্মার আশীর্বাদ রয়েছে।” বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। শুক্রবার রাজ্যজুড়ে সাড়ম্বরে পালিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো। রাজধানী আগরতলাসহ বিভিন্ন দপ্তরের উদ্যোগে নানা থিমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সচেতনতার বার্তা তুলে ধরা হয়।

এদিন সকালে প্রথমে টিএসইসিএল এবং পরবর্তীতে টিপিটিএল এর পুজোমণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী। সেখানে বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে এক অভিনব সচেতনতামূলক থিম সামনে আনা হয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও পরিবেশ রক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রদর্শনীতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে— “সুইচ বন্ধ করুন, বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করুন, ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ বাঁচান” কিংবা “সূর্যের আলোয় বিদ্যুতের জোয়ার, সবুজ ত্রিপুরা নতুন দ্বার”-এর মতো আকর্ষণীয় স্লোগান।

বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরো জানান, আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে, ক্যামেরা বা মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে প্রগতির প্রতিটি পদক্ষেপে শক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বিদ্যুৎ বা শক্তির কোনো বিকল্প নেই বলেই এর অপচয় রোধ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ভাবনাকে সামনে রেখেই টিএসইসিএল, টিপিটিএল, টেডা , কৃষি ও হর্টিকালচার দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের উদ্যোগে নাগিছড়া, বাজারঘাটসহ আগরতলা এবং সংলগ্ন রাজ্যজুড়ে প্রায় একশো থেকে সোয়াশোটি স্থানে বিশ্বকর্মা পুজো ও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরা রাজ্যে দুর্গোৎসবের পাশাপাশি লক্ষ্মীপুজো, সরস্বতী পুজো এবং বিশ্বকর্মা পুজো অত্যন্ত ঘটা করে পালিত হয়। রাজ্যে গাড়ির সংখ্যা বেশি থাকায় আগরতলা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্বকর্মা পুজো উদযাপিত হয়ে থাকে। আসন্ন গণেশ পুজো ও শারদোৎসবের প্রাক্কালে এই উৎসবের মরশুমে রাজ্যের প্রতিটি নাগরিক যেন আরও সচেতন হয়ে নতুন পথে এগিয়ে চলে, বিশ্বকর্মার চরণে সেই আশীর্বাদই কামনা করা হয়েছে।

Leave a Comment