প্রগতি ত্রিপুরা, ২২ জুন, ২০২৬: বগাফা রোড এলাকায় এক রাবার চোরকে মাথা মুড়িয়ে দিয়ে উচিত শিক্ষা দিল উত্তেজিত জনতা। জানা যায় রাবার চুরি করে বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক কুখ্যাত চোর।
আর ধরা পড়তেই জুটল গণধোলাই, চোরের মাথা আধা মুড়িয়ে দিয়ে উচিত শিক্ষা দিল উত্তেজিত জনতা। বর্তমানে পুলিশের খাঁচায় বন্দি সেই চোর। ঘটনা শান্তিরবাজার মহকুমার বগাফা রোড স্থিত পূর্বপাড়া এলাকার।
রাবার দোকান থেকে রাবার চুরি করে অন্যত্র চম্পট দেওয়ার ছক কষেছিল এক চোর। কিন্তু কথায় বলে, “চোরের দশ দিন তো সাধুর এক দিন”। রাবার চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করার সময় এক সচেতন অটোচালকের তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় সেই চোর।
চোর ধরা পড়ার খবর চাউর হতেই মুহূর্তের মধ্যে সেখানে ভিড় জমে যায় বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের। দীর্ঘদিন ধরে চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আগুন আছড়ে পড়ে ওই চোরের ওপর।
শুরু হয় গণধোলাই— যাকে বলে একেবারে ‘উত্তম-মধ্যম’ কেলানি। শুধু মারধরই নয়, চোরের ঔদ্ধত্য খর্ব করতে তার মাথা আধা মুড়িয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই চোরের নাম সৌমিত্র রিয়াং।
সে অমরপুর পাহাড়পুর এলাকার বাসিন্দা। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে, সৌমিত্র নাকি একটি রিহ্যাব সেন্টার (নেশামুক্তি কেন্দ্র) থেকে পালিয়ে এসে এই চুরির কাণ্ডটি ঘটিয়েছে।
অর্থাৎ, স্বভাব যার চোরের, রিহ্যাবও তার স্বভাব বদলাতে পারেনি!এদিকে ঘটনার খবর দেওয়া হয় শান্তির বাজার থানায়। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ বাহিনী। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চোর সৌমিত্র রিয়াংকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মেডিকেল চেকআপের পর সোজা চালান করা হয় থানায়।এলাকার ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি— শান্তিরবাজার এলাকায় কোনো রকম চোর-বাটপার বরদাস্ত করা হবে না।
চুরি করতে এলে পরিণতি এর চেয়েও ভয়াবহ হবে। রিহ্যাব ফেরত এই রাবার চোরের বিরুদ্ধে পুলিশ এবার কী কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে, এখন সেটাই দেখার।








