সকাল ১১টাতেও অফিসের দরজা বন্ধ! কাঞ্চনমালা কৃষি বীজাগারে এসে বেকাদায় পড়েন স্থানীয় কৃষকরা!

প্রগতি ত্রিপুরা, ২২ জুন, ২০২৬: পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনমালা বাজার সংলগ্ন কৃষিবি বীজাগার অফিসের সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা সরকারি নির্দেশিকার আদ্বশ্রাদ্ধ। সরকারি নির্দেশ অনুসারে সমস্ত সরকারি অফিস খোলার নতুন নিয়ম হলো সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। সরকারি এই নির্দেশ দেওয়ার পরেও একাংশ সরকারি কর্মচারীরা সেই নিয়মের উপর নজর না দিয়ে মনগড়া মত হেলে দুলে অফিসে আসছেন।

ঠিক এমনই একটি চিত্র উঠে আসলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চন মালা বাজার সংলগ্ন কৃষি বীজাগার অফিসে। এই সরকারি অফিসে দুইজন কর্মী রয়েছেন একজন বি এল ডাব্লিউ আরেকজন মহিলা গ্রুপ ডি কর্মী। সোমবার বেলা পৌনে এগারোটা বাজলেও দেখা মেলেনি তাদের কাউকেই। এদিকে এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষক দীর্ঘক্ষণ ধরে এই কৃষি বীজাগার থেকে বীজ এবং সার নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিল কিন্তু এই অফিসের সরকারি কর্মচারী বাবুদের কাউকেই দেখা মিল ছিল না।

অবশেষে এদিন পনে এগারোটার পর বাইক নিয়ে অফিসে আসতে দেখা গেল বিএলডব্লিউকে। সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে পড়ে নিজের দোষ ঢাকতে তিনি দাবি করেছেন ফিল্ড বিজিটে গিয়েছিলেন কিন্তু কাঞ্চনমালা এলাকার মানুষ অতি সহজে এই বিএল ডাব্লিউ কে কৃষি জমি পরিদর্শন করতে দেখা যায় না আর উনি কিনা বলছেন ফিল্ড ভিজিটে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থাকা কৃষকরা তখন ঠিকই বুঝে গিয়েছিল আসলে তিনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন।

এছাড়াও এই সরকারি অফিসের মহিলা গ্রুপ ডি কর্মীকেও অনেক দেরিতে হেলে দুলে আসতে দেখা গেছে, সাংবাদিকরা উনাকেও জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানিয়েছেন তিনি নাকি ছুটিতে রয়েছেন তাহলে, তিনি যদি ছুটিতেই থাকেন তাহলে কি কারনে অফিসে আসলেন? অন্যদিকে অফিসের বিএল ডাব্লিউকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো তিনি বলল গ্রুপ ডি মহিলা কি এখনো আসেননি? গ্রুপ ডি মহিলার যদি ছুটি থাকে তাহলে বি এল ডাব্লিউ কি সেটা জানতেন না! এতেই বুঝা গেল যে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব থেকে নিজেদের দোষ লুকাতে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছে।

আসতে দেখা যায়নি। তবে প্রকৃতপক্ষে এখনো সরকারি নতুন নিয়ম নির্দেশিকাকে মান্যতা দিচ্ছে না একাংশ সরকারি কর্মচারীরা তবে সেদিকে এখনো ঠিকঠাকভাবে নজর দিচ্ছেন না দপ্তরের উপর মহলের আধিকারিকরা। তবে মাসের শেষে সরকারি বেতন ভোগী সরকারি কর্মচারীদের এই ধরনের ভূমিকায় সাধারণ মানুষ হতবাক। সাধারণ মানুষের দাবি আদৌ এই ধরনের সরকারি কর্মচারীরা কি শোধরাবে?

Leave a Comment